
ইউজড ও রিফার্বিশড ফোনের পার্থক্য কী? ব্যবহৃত ফ্ল্যাগশিপ কেনার আগে যে ৫টি বিষয় জানতেই হবে!
ইউজড ও রিফার্বিশড ফোনের পার্থক্য কী? ব্যবহৃত ফ্ল্যাগশিপ কেনার আগে যে ৫টি বিষয় জানতেই হবে!
কম বাজেটে স্বপ্নের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন কেনার পরিকল্পনা করছেন? বাজারে বর্তমানে "Pre-owned", "Used" এবং "Refurbished" শব্দের ব্যবহার প্রচুর দেখা যায়। কিন্তু অনেকেই এই শব্দগুলোর সঠিক অর্থ না জেনে ফোন কিনতে গিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েন।
একটি সেকেন্ড হ্যান্ড বা ব্যবহৃত ফোন কেনা কতটা নিরাপদ এবং কেনার সময় কোন বিষয়গুলো নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন? আজকের ব্লগে আমরা তা বিস্তারিত আলোচনা করব।
১. Used (ইউজড) এবং Refurbished (রিফার্বিশড) ফোনের পার্থক্য
- ইউজড ফোন (Pre-owned): কোনো ব্যবহারকারী কিছুদিন ব্যবহার করার পর বিক্রি করে দিলে সেটিকে ইউজড ফোন বলা হয়। যদি ফোনটি কোনো পার্টস পরিবর্তন বা মেরামত না করে অরিজিনাল অবস্থায় থাকে, তবে তা সেরা পারফরম্যান্স প্রদান করে।
- রিফার্বিশড ফোন: যে ডিভাইসগুলোতে আগে কোনো ত্রুটি ছিল এবং পরবর্তীতে কোম্পানির কারখানায় বা থার্ড-পার্টি সার্ভিস সেন্টারে পার্টস পরিবর্তন করে নতুন করে সচল করা হয়েছে, সেগুলোকে রিফার্বিশড ফোন বলে।
২. ব্যবহৃত ফ্ল্যাগশিপ কেনার আগে যে ৫টি চেকলিস্ট মিলিয়ে নেবেন
ক) ডিসপ্লে এবং টাচ রেসপন্স পরীক্ষা (Display & Touch)
ফোনের ডিসপ্লে অরিজিনাল কি না তা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। আইফোনের ক্ষেত্রে True Tone এবং অরিজিনাল ট্রু-টোন সেন্সর চেক করুন। আর অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে সিক্রেট কোড ব্যবহার করে পুরো টাচ প্যানেল টেস্ট করে নিন।
খ) ব্যাটারি হেলথ ও চার্জিং স্পিড (Battery Health)
আইফোনে স্যাটিনংস থেকেই Battery Health দেখা যায়। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে Coconut Battery বা টাইপ কোড দিয়ে ব্যাটারি সাইকেল দেখে নেওয়া ভালো। ব্যাটারি হেলথ অন্তত ৮৫%-এর উপরে থাকা আদর্শ।
গ) আইএমইআই (IMEI) ও অফিশিয়াল ভেরিফিকেশন
ফোনের ডায়াল প্যাডে *#06# চেপে IMEI নম্বর বের করুন এবং সিম স্লট ও বক্সের সাথে মিল আছে কি না নিশ্চিত হোন। এছাড়া BTRC-এর অফিশিয়াল ডেটাবেজে ফোনটি নিবন্ধিত কি না তাও যাচাই করুন।
ঘ) ক্যামেরা এবং সেন্সর ওয়ার্কিং টেস্ট
ক্যামেরার লেন্সের ভেতরে কোনো ধূলিকণা বা স্ক্র্যাচ আছে কি না চেক করুন। বিভিন্ন মোডে (Main, Ultrawide, Telephoto) ছবি তুলে ফোকাস ঠিকঠাক কাজ করছে কি না নিশ্চিত হন।
ঙ) ফেস আইডি / ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর
আইফোনের Face ID কিংবা অ্যান্ড্রয়েডের In-display Fingerprint সেন্সর নিখুঁতভাবে কাজ করছে কি না কয়েকবার পরীক্ষা করে দেখুন।
৩. কেন Gadget N Gadget থেকে প্রি-ওন্ড ফোন কিনবেন?
বাইরে থেকে পুরোনো ফোন কেনার ক্ষেত্রে নানা ধরনের ঝুঁকি থাকে। কিন্তু Gadget N Gadget থেকে ডিভাইস কিনলে আপনি পাচ্ছেন ১০০% নিশ্চিন্ত থাকার সুযোগ:
- Strict Quality Check (QC): আমাদের দক্ষ টেকনিশিয়ান টিম প্রতিটি ফোনের ৩৬+ টেস্ট পয়েন্ট চেক করার পর সেলস ডিসপ্লেতে আনে।
- জেনুইন প্রি-ওন্ড গ্যারান্টি: আমরা কোনো ক্লোন বা কপি ডিভাইস বিক্রি করি না।
- চেকিং ওয়ারেন্টি ও সার্ভিস সাপোর্ট: প্রতিটি প্রাক-মালিকানাধীন ডিভাইসের সাথেই থাকছে চেকিং ওয়ারেন্টি এবং দীর্ঘমেয়াদী আফটার সেলস সার্ভিস (GNG Care) সুবিধা।
শেষ কথা
স্মার্টফোন কেনা শুধু প্রয়োজন নয়, এটি একটি বড় ইনভেস্টমেন্ট। তাই সঠিক তথ্য জেনে ও বিশ্বস্ত শপ থেকে প্রি-ওন্ড ফ্ল্যাগশিপ কিনলে আপনার অর্থ যেমন সাশ্রয় হবে, তেমনি ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও হবে চমৎকার।
আপনার পছন্দের মডেলটির বর্তমান স্টক ও প্রাইস জানতে আজই ভিজিট করুন gadgetngadgetbd.com অথবা চলে আসুন আমাদের যেকোনো শোরুমে!
